Breaking News

ঝাড়গ্রাম শহরে গুলির ঘটনায় যুক্ত মূল অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মেদিনীপুরে পথ অবরোধ

ঝাড়গ্রাম শহরে গুলির ঘটনায় যুক্ত মূল অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মেদিনীপুরে পথ অবরোধ

ঝাড়গ্রাম শহরে গুলির ঘটনায় যুক্ত মূল অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মেদিনীপুরে পথ অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদন, মঙ্গলবারের গুলির ঘটনায় অভিযুক্ত এনভিএফ কর্মী বিশ্বজিৎ প্রধান (নেড়া) -কে এখনো পর্যন্ত কেন গ্রেফতার করা হল না? অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বুধবার সকাল থেকেই ঝাড়গ্রাম শহর লাগোয়া রাধানগর মোড়ে ঝাড়গ্রাম মেদিনীপুর রাস্তায় অবরোধ করে নিহত তকবির আলীর পরিজনের। এদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। বেশ কিছুক্ষনের রাস্তা অবরোধের জন্য আটকে পড়ে বহু যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি।

সূত্রের খবর, গতকাল দুপুর প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ ঝাড়গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাছুরডোবা এলাকায় একটি ক্রিকেট খেলা দেখতে এসে দর্শক আসনে থাকা রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা ২৮ বছরের যুবক তকবির আলীকে গুলি করা হয়। তকবিরকে দুটো হাতে দুটো বন্দুক নিয়ে হঠাৎ গুলি করে বাছুর ডোবা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ প্রধান নামে মেদিনীপুর পুলিশ লাইনে কর্তব্যরত এক এনভিএফ কর্মী। তকবিরকে একটি পায়ে ও একটি মাথার কাছে গুলি করা হয় এবং লোহার রোড দিয়ে মাথা থেতলে দেওয়া হয়। ঘটনার অভিযোগ ওঠে বিশ্বজিৎ -এর বিরুদ্ধে। ঘটনার পরই তকবিরকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানতর করা হয়। কিন্তু ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথেই রাস্তায় মৃত্যু হয় তকবিরের। মৃত্যুর খবর রটতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকা। তকবিরের পরিবারের সদস্য বিশ্বজিৎ-এর বাড়ী ভাঙচুর করে, আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী ও দমকল বাহিনী। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তকবিরের মৃতদেহ মেদিনীপুর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। ময়নাতদন্তের পর তকবিরের দেহ তাঁর পরিবারের হাতে মৃতদেহ তুলে দেওয়া হবে বলে জানান চিকিৎসকেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *